[email protected] শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩

বন্দরে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি: লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারসহ গ্রেপ্তার ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭:৪১ পিএম

সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দিনদুপুরে জুয়েলারিতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ৫ জনকে গ্রেপ্তার

 করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।

​রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান।

​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত থেকে শুরু করে রোববার সকাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এই চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়।

​গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আনোয়ার হোসেন (৩২), মিজান (২৬), অনিক (২২), সুমন বেপারী (৩৮) এবং রাজু আহমেদ (২৪)।

​সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান, গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে বন্দর উপজেলার ঢাকেশ্বরী সোনাচড়া এলাকার একটি জুয়েলারিতে ৭ থেকে ৮ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল ঢুকে পড়ে। তারা অস্ত্রের মুখে দোকানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিম্মি করে বিপুল পরিমাণ সোনা, রূপা, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করে পালিয়ে যায়।

​তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার বিবরণ দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায় রেকর্ড হয় এবং পরবর্তীতে সেই ভিডিও চিত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। এরপর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কয়েকটি যৌথ টিম অভিযানে নেমে ঘটনায় জড়িত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

​আসামিদের কাছ থেকে লুটের স্বর্ণ ও নগদ টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক অপরাধের মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সুপার জানান।

​অন্যদিকে, বন্দর এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্র ও মাদকের সাথে জড়িত থাকায় মতিউর রহমান জনি ওরফে ব্ল্যাক জনি (৩৯) এবং তার সহযোগী রিফাত হাসানকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

​পুলিশ সুপার জানান, শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর উপজেলার ঘাড়মোড়া এলাকায় একটি অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে একটি হাঁসের খামারের ভেতরে মাটির নিচে লুকানো প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ১৬টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে জনি ও রিফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​পুলিশের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত জনির বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর