দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই জানিয়ে অবৈধ মজুতদার ও অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ফায়দা লুটতে চায়, তারা ব্যবসায়ী নয় বরং
অপরাধী। তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
আমদানি: দেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। সম্প্রতি ১০টি জাহাজ বন্দরে এসেছে এবং আজ সিঙ্গাপুর থেকে আরও ৩০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ রওনা হয়েছে।
মজুত: পর্যাপ্ত পরিমাণে অকটেন, পেট্রল ও ডিজেল মজুত রয়েছে। সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের তৎপরতা ও জেল-জরিমানা:
জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে জেলা প্রশাসন নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। এ পর্যন্ত জেলায় পরিচালিত ৯৮টি অভিযানে প্রায় ৪ থেকে ৪.৫ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং ১৮-২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দাম আদায়ের বিরুদ্ধে এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সমস্যা সব খাতেই কমবেশি প্রভাব ফেলছে। তবে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন জেলেদের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তা (চাল, ডাল ইত্যাদি) ও অন্যান্য সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসন মাঠ পর্যায়ে জেলেদের পাশে থেকে সব ধরনের সংকট মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: