[email protected] শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১

ভিডিও ভাইরাল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাইদুর-এলমার পদ স্থগিত

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২৫ ১০:১৯ পিএম

লোগো

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর জেরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঝিনাইদহ জেলা শাখার সদস্য সচিব সাইদুর রহমান ও মুখপাত্র এলমা খাতুনের পদ স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ মার্চ) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পাশাপাশি, ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাকে আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিতর্ক শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, সংগঠনের মুখপাত্র এলমা খাতুন একটি কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করেন এবং সঙ্গে থাকা ব্যাগটি রেখে খাটের ওপর বসেন। সেখানে উপস্থিত সদস্য সচিব সাইদুর রহমান খাটে শুয়ে ছিলেন। পরে ভিডিওতে এলমা খাতুনকে একটি বোতল হাতে নিতে দেখা যায়, যা নিয়ে বিভিন্নমুখী আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সাইদুর রহমান বলেন, ‘গত বছরের অক্টোবরে সংগঠনের কমিটি গঠনের বিষয়ে আলোচনা করতে আমরা ঢাকা গিয়েছিলাম। ভিডিওতে যে বোতল দেখা যাচ্ছে, তা আসলে কী ছিল, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই। এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়ানো হতে পারে।’

সংগঠনের ঝিনাইদহ জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু হুরাইরা বলেন, ‘ভিডিও ভাইরালের পর সংগঠনের নীতি অনুসারে তাদের পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া, প্রকৃত ঘটনা জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এ বিষয়ে সুজনের জেলা কমিটির সভাপতি আমিনুর রহমান টুকু বলেন, ‘যদি ভিডিওর বিষয়বস্তু সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে এটি খুবই দুঃখজনক। আমরা তাদের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করিনি।’

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর ঝিনাইদহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১০৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়।

এই কমিটিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু হুরাইরাকে আহ্বায়ক এবং কেসি কলেজের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়। মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পান সাজেদুর রহমান এবং ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী এলমা খাতুনকে মুখপাত্র হিসেবে মনোনীত করা হয়। ছয় মাস মেয়াদি এই কমিটিতে সাম্প্রতিক ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, যা তদন্ত সাপেক্ষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর