[email protected] শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১

আওয়ামী লীগের বিষয়ে 'সিদ্ধান্ত' দেওয়ার এখতিয়ার সেনাবাহিনীর নেই - এনসিপি

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ মার্চ ২০২৫ ১১:০০ পিএম

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন নাহিদ ইসলামসহ অন্যরা

"বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দল কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে কি পারবে না, এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনা বা প্রস্তাবনা দেওয়ার এখতিয়ার সেনাবাহিনী বা অন্য কোনো সংস্থার নেই" বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি'র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে মি. ইসলাম বলেন, "এটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। সরকার, রাজনৈতিক দল ও জনগণ সেই সিদ্ধান্ত নেবে।"

এনসিপি'র অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেও আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

'ক্যান্টনমেন্ট থেকে' আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা চলছে, বৃহস্পতিবার রাতে এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে আনেন এনসিপি'র দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

তার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দিনভর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়।

রাতে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে দলীয় অবস্থান তুলে ধরেন এনসিপি নেতারা।

প্রথমে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

জুলাই-অগাস্টের আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের বিচারে ধীরগতির অভিযোগ করেন তিনি।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে মি. ইসলাম বলেন, "আওয়ামী লীগের মানবতাবিরোধী অপরাধের ব্যাপারে এত সুস্পষ্ট আন্তর্জাতিক বক্তব্য থাকার পরও বিচারিক প্রক্রিয়ার ধীরগতি অত্যন্ত নিন্দনীয়।"

"আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই," বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার করা এমন মন্তব্যের নিন্দা জানান কয়েকদিন আগেই উপদেষ্টা পরিষদ থেকে সরে দল গঠন করা নাহিদ ইসলাম।

তার মতে, আওয়ামীলীগ বর্তমানে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো বাইরে অবস্থান করছে।

"বিচার অনিষ্পন্ন রেখে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়ার যেকোনো ধরনের আলোচনা ও প্রস্তাব এনসিপি দৃঢ়তার সাথে প্রত্যাখ্যান করে," যোগ করেন মি. ইসলাম।

এ সময় কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন তিনি। বলেন, বিচার চলাকালীন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।

"গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার চলাকালীন সময়ে আওয়ামী লীগ এবং ফ্যাসিবাদের সকল সহযোগী ব্যক্তি ও সংগঠনের রাজনৈতিক কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে," বলেন নাগরিক পার্টির এই নেতা।

সূত্র -বিবিসি বাংলা 

 

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর