কুড়িগ্রাম জেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযান "অপারেশন ডেভিল হান্ট" এর অংশ হিসেবে ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন রৌমারী, চর রাজিবপুর, রাজারহাট, ভুরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, উলিপুর, ফুলবাড়ী, কুড়িগ্রাম সদর ও চিলমারী উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী।গ্রেপ্তাররা হলেন, রৌমারী উপজেলার রৌমারী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সহসভাপতি মো. আব্দুর রউফ (৪০), সাধারণ সম্পাদক মো. ছফিয়ার রহমান (৪৫), রৌমারী দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য মো. সাদ্দাম হোসেন জীবন, চর রাজিবপুর উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম (৪০), রাজারহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আশীষ কুমার সরকার, রাজারহাট টগরাইহাট মুজিব সৈনিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. জিয়াউর রহমান (২২), ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আ.লীগের জয়েন্ট সেক্রেটারি মো. রফিকুল ইসলাম, ভুরুঙ্গামারী আন্ধারীঝার ইউনিয়নের ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম (২৫), নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুল হক (৪০), নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য মো. শাহাদৎ হোসেন (২৯), উলিপুর উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুর রহমান (৫৩), ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শ্রী. শেখ রায়হান পল্লব (২০), ফুলবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. গোলাম ওয়াদুদ (৫৫), কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. আ. রহিম ওরফে মেহেদী হাসান নয়ন (২৭), চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও চিলমারী রমনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. নুর ই-এলাহী তুহিন (৫০), ছাত্রলীগের সদস্য মো. সামিউল ইসলাম ওরফে সাগর মিয়া (২৬) ও রমনা ইউনিয়নের আ.লীগের সক্রিয় সদস্য মো. জাকিউল ইসলাম (৩২) সহ মোট ১৭ জন।
শুক্রবার গ্রেপ্তারকৃতদের কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের সবাইকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পুলিশ সুপার জানান, দেশব্যাপী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবে কুড়িগ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের পাশাপাশি পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীদের গ্রেপ্তার করাই এ অভিযানের মূল লক্ষ্য।
কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া অফিসার ওসি মো. বজলার রহমান জানান, জেলার সব থানায় সমন্বিতভাবে অভিযান চালিয়ে মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ধরনের বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: