ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার পূরণে টালবাহানার অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামার
ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। জোটের নেতাদের দাবি, নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও অধিবেশন ডাকার আইনি বাধ্যবাধকতা সরকার মানেনি, উল্টো স্থানীয় সরকার পর্যায়ে নির্বাচন না দিয়ে ১১টি সিটি করপোরেশন ও ৪২টি জেলা পরিষদে দলীয় নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে পুরোনো দলীয়করণের সংস্কৃতি ফিরিয়ে এনেছে।
জামায়াত ও এনসিপি নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, যারা জাতীয় নির্বাচনে জনগণের ভোটে পরাজিত হয়েছেন, তাদেরই প্রশাসক বানিয়ে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা চলছে, যা জুলাই সনদের অঙ্গীকারের পরিপন্থী। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এই পদক্ষেপকে গভীর ষড়যন্ত্র ও রাজনৈতিক ভণ্ডামি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
অন্যদিকে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু সতর্ক করেছেন যে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামা ছাড়া বিকল্প থাকবে না। আগামী ২৮ মার্চ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসে আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপরেখা নির্ধারণ করবেন এবং ঈদের পর যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করা হয়, তবে এপ্রিল থেকেই তারা রাজপথে কঠোর কর্মসূচি পালন করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: