ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দিন রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে সংসদে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ভাষণ চলাকালেই বিরোধী জোটের সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। ওই জোটের নেতৃত্বে ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি।
অধিবেশন থেকে বের হওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন-এর সমালোচনা করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য সংসদে শোনা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
শফিকুর রহমান দাবি করেন, রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও বিভিন্ন ঘটনার বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অতীতে দেওয়া একটি ভাষণে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয় উল্লেখ করার পর পরে তা অস্বীকার করায় রাষ্ট্রপতি বিতর্কের মুখে পড়েছেন।
জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচন-সংক্রান্ত কিছু অর্ডিন্যান্সে স্বাক্ষর করার পরও সংশ্লিষ্ট সংস্কার সংক্রান্ত পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা হয়নি। তার মতে, গণভোটে অংশ নেওয়া মানুষের প্রত্যাশা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
এ সময় স্পিকারের ভূমিকারও সমালোচনা করেন তিনি। তার অভিযোগ, বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সংসদে অন্যায় বা অনিয়মের বিরুদ্ধে তারা কথা বলতে থাকবেন বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে ওয়াকআউটের পর গণমাধ্যমকে বিএনপির চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটানো হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালে বিরোধী সদস্যরা কথা বলার সুযোগ না পাওয়ায় তারা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
এসআর
মন্তব্য করুন: