বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিলেও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ মাধ্যমে সেই ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাফরুল উত্তর ও দক্ষিণ থানা শাখা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্র ও এলাকায় কঠোর নজরদারি রাখা হবে।
প্রয়োজনে জীবন দিয়ে হলেও ভোটের অধিকার রক্ষায় দল ও সমর্থকরা মাঠে থাকবে। তিনি আরও বলেন, সংসদে গিয়ে জনগণের স্বার্থে কথা বলাই হবে তাদের মূল লক্ষ্য। ঢাকা-১৫ আসনকে একটি আদর্শ আসনে পরিণত করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময়ে বিভিন্ন মতাদর্শের শাসন দেখা গেলেও ইসলামী আদর্শভিত্তিক শাসন ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা দেশের মানুষ পায়নি।
চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তিনি সরকারি দলের প্রতি তা বন্ধের আহ্বান জানান। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন। একই সঙ্গে ট্যাক্সমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঘোষণা এবং প্রবাসীদের মরদেহ সম্মানের সঙ্গে দেশে আনার উদ্যোগ অনুসরণ করায় সরকারি দলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য মু. আবু নাহিদ ও মো. আশিকুর রহমান।
এ সময় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ছাত্রশিবির, ওলামা ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: