ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর বিভিন্ন স্তরের কার্যালয় আবার চালু করার চেষ্টা চলছে—এমন অভিযোগ তুলে তথ্য সংগ্রহে নেমেছে ‘জুলাই ঐক্য’।
সংগঠনটির দাবি, কিছু স্থানে স্থানীয়ভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতায় এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা বিদ্যমান আইন ও শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে স্বাক্ষর করেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক মুন্সি বুরহান মাহমুদ।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিষিদ্ধ দলটির নেতাকর্মীদের কিছু অংশ পুনরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে বলে বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে কিছু এলাকায় সহিংস কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
সংগঠনটি জানায়, সাম্প্রতিক গণআন্দোলনে আহত ব্যক্তিরা এখনো চিকিৎসাধীন এবং অনেক পরিবার শোকাহত অবস্থায় রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আইন অমান্য করে কোনো কার্যালয় চালুর চেষ্টা জাতির আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মানজনক বলে তারা মনে করে।
জুলাই ঐক্যের দাবি, জনগণের দেওয়া রায়ের পরিপন্থী যেকোনো উদ্যোগ গণআকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হবে। এ প্রেক্ষাপটে তারা সারা দেশে একটি সমন্বিত তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে।
উদ্যোগের অংশ হিসেবে কোন জেলা, উপজেলা বা মহানগরে কার্যালয় চালু হয়েছে, চালুর প্রক্রিয়ায় আছে বা পুনরায় বন্ধ হয়েছে—এসব তথ্য সংগ্রহ করা হবে। নাগরিকদের জন্য একটি অনলাইন ফরম উন্মুক্ত করা হয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের নাম, অবস্থান এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার তথ্য জানানো যাবে।
জুলাই ঐক্যের ভাষ্য, আইনের শাসন ও গণআন্দোলনের চেতনা সমুন্নত রাখতে সচেতন নাগরিকদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
এসআর
মন্তব্য করুন: