ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তাসনিম জারা ফলাফল প্রকাশের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
সেখানে তিনি পরাজয় মেনে নিয়ে বিজয়ী প্রার্থী ও দলকে শুভেচ্ছা জানান এবং সমর্থক-স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পাশাপাশি ভবিষ্যতেও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
‘অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা’ স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, অল্প সময়ের প্রচারণায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোটার তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
প্রচারে ছিল না প্রচলিত জাঁকজমক বা শক্তি প্রদর্শন— বরং ছিল নীতি, সম্মান ও ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা। তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে লেখেন, ফলাফল যাই হোক, এই অংশগ্রহণই বড় অর্জন।
বিজয়ীদের অভিনন্দন।
জাতীয়ভাবে বিজয়ী হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-কে অভিনন্দন জানান তাসনিম জারা।
একই সঙ্গে ঢাকা-৯ আসনের বিজয়ী প্রার্থী হাবিবুর রশীদ হাবিব-কে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, জনগণের স্বার্থে নেওয়া ইতিবাচক উদ্যোগে তিনি গঠনমূলক সমর্থন দেবেন; আর জনগণের স্বার্থবিরোধী কিছু হলে নীতিনিষ্ঠ অবস্থান থেকে কথা বলবেন।
নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে বার্তা- তিনি তার প্রচারণায় নারীদের সক্রিয় উপস্থিতির কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তার মতে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিসরে নারীদের অংশগ্রহণ রাজনীতির ভাষা ও ধরণ বদলে দিতে পারে। তরুণীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নেতৃত্বের জায়গায় নিজেদের দেখতে শেখাই এই আন্দোলনের অন্যতম অর্জন।
স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা-
স্বেচ্ছাসেবকদের ‘এই উদ্যোগের প্রাণশক্তি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সচেতনতা ও নাগরিক অংশগ্রহণে তারা নতুন উদাহরণ তৈরি করেছেন। তাদের মনোবল অটুট রাখার আহ্বান জানান তিনি।
দেশ ছাড়ার গুঞ্জনে স্পষ্ট অবস্থান-
নির্বাচন শেষে বিদেশে চলে যাওয়ার গুঞ্জন নাকচ করে তাসনিম জারা জানান, তার শেকড় ও কাজ—দুটিই দেশে। তিনি স্পষ্ট করেন, এই উদ্যোগ একদিনের নির্বাচনী লড়াই নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের লক্ষ্যেই পথচলা শুরু হয়েছে।
সবশেষে তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: