২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আজ এক ঐতিহাসিক ও
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ কার্যত অনুপস্থিত। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জরিপ বিশ্লেষণ করে ‘দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়াল’ পূর্বাভাস দিয়েছে যে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনের মূল পয়েন্টগুলো:
আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক: নির্বাচনের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগের প্রায় ৪ কোটি ভোটার। জরিপ অনুযায়ী, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেক বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে, যা দলটিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে দিচ্ছে। প্রায় ৩০ শতাংশ ভোটার জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নিতে পারেন।
বিএনপির আসন সম্ভাবনা: তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বিরোধী দলের ভূমিকা: জামায়াতে ইসলামী প্রায় ৮০টির মতো আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তরুণ বা ‘জেন-জি’ প্রজন্মের ভোটাররা জামায়াতের বড় শক্তির উৎস।
চ্যালেঞ্জ ও বাধা: বিএনপির সম্ভাব্য জয়ের পথে বড় বাধা হতে পারে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। প্রায় ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় দলের ৯২ জন বিদ্রোহী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন, যা বিএনপির ১৫ থেকে ৩০টি আসন কমিয়ে দিতে পারে।
দোদুল্যমান ভোটার: প্রায় ১৭ থেকে ৩৫ শতাংশ ভোটার এখনো সিদ্ধান্তহীন। এই দোদুল্যমান ভোটারদের শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার কতটা শক্তিশালী হবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: