বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে যারা বিশ্বাস করে না, তাদের হাতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তুলে দেওয়া উচিত কি না- এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ২৯ মাইল এলাকায় বিডি স্কুলমাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, যে রাজনৈতিক শক্তি দেশের স্বাধীনতাকে স্বীকার করে না, তাদের ভোট দিয়ে কি দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে—এই প্রশ্নের জবাব জনগণকেই ভাবতে হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৭১ সালে যারা পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী ছিল এবং গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল, তারাই আজ আবার ভোট চাইছে ও রাষ্ট্র পরিচালনার দাবি করছে।
সমাবেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন। তবে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। তার ভাষায়, বাংলাদেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়—সবাই সমান নাগরিক।
বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সব সময়ই বলে গেছেন, এ দেশে সবাই বাংলাদেশি এবং সকলের অধিকার সমান। তাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
মির্জা ফখরুল দাবি করেন, বিএনপি সব সময় দেশের সকল নাগরিকের অধিকার রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। মা-বোন, ভাই—সব শ্রেণি ও ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে বিএনপি অতীতেও কাজ করেছে, ভবিষ্যতেও করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: