পিরোজপুর-১ আসন (সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী) থেকে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাসুদ সাঈদী। তিনি প্রয়াত জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সন্তান।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, মাসুদ সাঈদী পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তার বার্ষিক আয় প্রায় ১০ লাখ টাকার কিছু বেশি। তার স্ত্রীর ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৬ লাখ টাকা এবং তার ওপর নির্ভরশীলদের বাৎসরিক আয় প্রায় ৯ লাখ টাকা।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, মাসুদ সাঈদীর বিরুদ্ধে পিরোজপুর ও ঢাকার বিভিন্ন থানায় মোট তিনটি মামলা ছিল, তবে সবগুলোতেই তিনি খালাস বা অব্যাহতি পেয়েছেন।
আর্থিক বিবরণীতে দেখা যায়, তার কাছে অল্প পরিমাণ নগদ অর্থ রয়েছে এবং ইসলামী ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংকের একাধিক হিসাবে মোট প্রায় ২৪ লাখ টাকা জমা আছে। এছাড়া তার ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কিছু ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র রয়েছে। তিনি প্রায় ৬২ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়ির মালিক। স্বর্ণালংকার হিসেবে তার নিজের কাছে ১০ ভরি এবং তার স্ত্রীর কাছে ২০ ভরি স্বর্ণ থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে।
হলফনামায় আরও বলা হয়, বিদেশ থেকে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স বাবদ তার আয় প্রায় ৩৯ লাখ টাকা। পাশাপাশি একটি বিদেশি খাদ্য ও পানীয় প্রতিষ্ঠানে তার ৫ শতাংশ সম্মানী শেয়ার রয়েছে।
ঋণের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক ও অন্যান্য উৎস থেকে তার মোট দায় প্রায় ২০ লাখ টাকা। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের একটি শাখা থেকে নেওয়া নির্দিষ্ট অঙ্কের ঋণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বশেষ অর্থবছরে তিনি কয়েক হাজার টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন বলেও হলফনামায় জানানো হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: