[email protected] সোমবার, ৫ জানুয়ারি ২০২৬
২২ পৌষ ১৪৩২

৯৮ লাখ টাকার সম্পদের মালিক হান্নান মাসউদ, বছরে আয় ৬ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১ জানুয়ারি ২০২৬ ৫:৫৬ পিএম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল

হান্নান মাসউদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কাছে হলফনামাসহ মনোনয়নপত্র জমা দেন।
হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হান্নান মাসউদের পেশা ব্যবসা। এই খাত থেকে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ টাকা। তার কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ৩৫ লাখ ৮৩ হাজার ৪৭৫ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা অর্থের পরিমাণ মাত্র ২ হাজার ৫৫ টাকা। এছাড়া বন্ড, ঋণপত্র এবং তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারে তার বিনিয়োগের পরিমাণ ১ লাখ টাকা।
স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথরের তৈরি অলঙ্কারের মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৮ লাখ টাকা। আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ টাকা এবং ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্যও ১ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, তার নামে কোনো বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা ভবন নেই। তার কাছে কোনো আগ্নেয়াস্ত্রও নেই এবং তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলার তথ্যও উল্লেখ করা হয়নি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। তার স্ত্রীর নাম শ্যামলী সুলতানা জেদনী, যিনি একজন শিক্ষার্থী। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে হান্নান মাসউদ এইচএসসি (আলিম) পাসের কথা উল্লেখ করেছেন।
২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, তার মোট আয় ৬ লাখ টাকা এবং মোট সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৬ টাকা। এর বিপরীতে তিনি ২০ হাজার টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন।
এদিকে, নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনে এবারের নির্বাচনে মোট ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা।
নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে ৮৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ৬২ জন। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়ে চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর