প্রয়াত খালেদা জিয়া যেসব সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন, সে সব আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে যারা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, তারাই বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
আজ বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর নির্বাচন স্থগিত হতে পারে কি না এবং ওই আসনগুলোতে দলের অবস্থান কী—এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র স্বাভাবিকভাবেই বাতিল বলে গণ্য হবে।
এসব কথা বলেন সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি আরও বলেন, যেহেতু সংশ্লিষ্ট তিনটি আসনে আগে থেকেই বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছিল, তাই তাদের মনোনয়ন বৈধ হলে তারাই দলীয় প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন।
নির্বাচন পেছানো বা বাতিলের কোনো সম্ভাবনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রচলিত আইনে এমন কোনো বিধান নেই। সাধারণত মনোনয়ন বৈধতা যাচাই ও প্রতীক বরাদ্দের পর এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে জটিলতা দেখা দিতে পারে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সে ধরনের কোনো আইনগত বাধা নেই।
তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার আগেই খালেদা জিয়ার মৃত্যু হওয়ায় তার প্রার্থিতা কার্যকর থাকছে না। ফলে বিকল্প প্রার্থীদের মনোনয়ন অনুমোদিত হলেই তারা সরাসরি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
এ সময় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মানসিক অবস্থা সম্পর্কেও কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, তারেক রহমান একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা। ব্যক্তিগত শোক থাকলেও দেশ ও দলের স্বার্থে তাকে দৃঢ় মনোবল নিয়েই সামনে এগোতে হবে।
উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে খালেদা জিয়া ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে আগেই এসব আসনে বিকল্প প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়। ফেনী-১ আসনে রফিকুল আলম মজনু, বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ আলম এবং দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর এখন এই তিনজনই বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে থাকছেন
এসআর
মন্তব্য করুন: