বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন
সময়ে দায়ের হওয়া মোট ৭৭টি মামলার আর কোনোটি বর্তমানে কার্যকর নেই। এসব মামলার অধিকাংশে তিনি আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন এবং বাকিগুলো আইনগতভাবে খারিজ হয়েছে বলে জানা গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে প্রার্থী হিসেবে জমা দেওয়া হলফনামায় তারেক রহমান নিজেই এই তথ্য উল্লেখ করেন। দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থান করা এই রাজনৈতিক নেতার হলফনামা থেকে তার সম্পদ, আয় এবং মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের অস্থাবর সম্পদের বড় অংশ ব্যাংকে রাখা অর্থ ও বিভিন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ। তার নামে নগদ অর্থ ও ব্যাংক আমানতের পরিমাণ প্রায় ৩১ লাখ টাকার বেশি। শেয়ার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্রে তার বিনিয়োগ কয়েক লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এছাড়া বিভিন্ন তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের শেয়ার রয়েছে।
স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হিসেবে প্রায় ৯০ লাখ টাকার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্রের মূল্য তুলনামূলকভাবে কম দেখানো হয়েছে।
স্থাবর সম্পদের তালিকায় তার নামে কৃষি ও অকৃষি জমির কথা বলা হয়েছে। কিছু জমির অর্জনমূল্য উল্লেখ থাকলেও উপহার হিসেবে পাওয়া সম্পদ এবং যৌথ মালিকানাধীন কয়েকটি জমি ও ভবনের আর্থিক মূল্য নির্দিষ্ট করা হয়নি। তার স্ত্রীর সঙ্গেও যৌথ মালিকানায় জমি ও একটি দোতলা ভবনের তথ্য হলফনামায় রয়েছে।
সব মিলিয়ে, হলফনামায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা সংক্রান্ত বর্তমান অবস্থা এবং সম্পদের একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: