ঢাকায় একটি গাছের ওপর প্রায় ২৮ জন মানুষের নির্ভরতা, যা
পরিবেশগত ভারসাম্যের তুলনায় খুবই কম। দেশে বনাঞ্চলও হ্রাস পেয়েছে—২০১৫ সালের তুলনায় এক লাখ একর বন কমেছে, এবং মোট আড়াই লাখ একর বন দখল হয়ে গেছে।
বন অধিদপ্তরের উপপ্রধান মো. জাহিদুল কবির জানিয়েছেন, প্রতিদিন একজন মানুষের জন্য কমপক্ষে তিনটি পূর্ণবয়স্ক গাছ প্রয়োজন অক্সিজেন সরবরাহ করতে, কিন্তু ঢাকায় বাস্তবে সংখ্যা অত্যন্ত কম। মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ড যেমন বন দখল, চোরা শিকার, অযৌক্তিক নির্মাণ, ম্যানগ্রোভ বিনষ্টকরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন বন ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি তৈরি করছে।
দেশের বনাঞ্চলে বর্তমানে প্রায় ৩৯৪ মিলিয়ন ঘনফুট কাঠ এবং মোট ৯৭৩ মিলিয়ন টন কার্বন ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। ব্যক্তি পর্যায়ে বনায়ন উৎসাহিত করতে এ পর্যন্ত ৪ লাখ ১৯ হাজার চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বনায়ন একটি কার্যকর এবং সাশ্রয়ী প্রাকৃতিক সমাধান। বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রা উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে জ্বালানি ব্যবহার ও কার্বন নিঃসরণও বাড়ছে, তাই বনায়নের গুরুত্ব ক্রমবর্ধমান।
এসআর
মন্তব্য করুন: