স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও বাংলাদেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ড. ইউনূস বলেন, "১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন, যেখানে আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং সামাজিক সাম্য নিশ্চিত হবে। কিন্তু এখনো সেই স্বপ্ন পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের ভোটাধিকার ও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। দুর্নীতি, অনিয়ম ও নানা ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম সমাজে বিরাজ করছে।"
তিনি আরও বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাদের আত্মত্যাগের ফলে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতে পারছি। এই সুযোগকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে এবং যথাযথভাবে এগিয়ে যেতে হবে।"
প্রধান উপদেষ্টা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান প্রসঙ্গে বলেন, "আমাদের উচিত মরণোত্তর পুরস্কারের পাশাপাশি জীবিত অবস্থায় গুণী ব্যক্তিদের যথাযথ সম্মাননা দেওয়া।
তারা জীবদ্দশায় এই স্বীকৃতি পেলে তা দেশের জন্য, পরিবারের জন্য এবং ব্যক্তির জন্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়। যথাসময়ে স্বীকৃতি না দিলে আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে চিহ্নিত হবো।"
তিনি আরও বলেন, "পুরস্কার প্রদান শুধু ব্যক্তিকে সম্মানিত করার বিষয় নয়, এটি জাতির সম্মানও বৃদ্ধি করে। আমরা যেন যথাসময়ে কৃতিত্বের স্বীকৃতি দিতে পারি এবং তাদের অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন করি।
এসআর
মন্তব্য করুন: