আগামী ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপন উপলক্ষে দেশজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। উৎসবের আমেজ
বজায় রেখে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে।
নিচে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
১. সময়সীমা ও প্রবেশাধিকার
অনুষ্ঠান শেষ: রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরসহ সারা দেশের সব অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে।
প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ: বিকেল ৫টার পর এসব উৎসবস্থলে নতুন করে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না।
২. মঙ্গল শোভাযাত্রার নিয়ম
মুখোশ: শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা মুখে কোনো মুখোশ পরতে পারবেন না, তবে হাতে বহন করতে পারবেন।
যোগদান: শোভাযাত্রা শুরুর পর মাঝপথে হুট করে কেউ এতে যুক্ত হতে পারবেন না।
৩. নিষিদ্ধ কার্যক্রম
নিরাপত্তার স্বার্থে দেশব্যাপী ফানুস ওড়ানো, আতশবাজি, গ্যাস বেলুন এবং ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
রাজধানীর ৩০০ ফুট এলাকায় মোটরসাইকেল বা গাড়ির রেসিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৪. যান চলাচল ও পরিবহন
মেট্রোরেল: ১৪ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি স্টেশন বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্টিকারবিহীন যান: ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার পর স্টিকার ছাড়া কোনো যানবাহন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঢুকতে পারবে না।
৫. তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি
গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ডগ স্কোয়াড, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে।
ইভ টিজিং ও ছিনতাই রোধে পোশাকি পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা এবং মোবাইল কোর্ট নিয়োজিত থাকবে।
৬. দর্শনার্থীদের জন্য সতর্কতা
উৎসবে আসার সময় সাথে কোনো ধরনের ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, দেশলাই বা লাইটার বহন না করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নিরাপত্তার খাতিরে শিশুদের পকেটে বা সাথে তাদের পরিচয়পত্র রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জরুরি ব্যবস্থা: যেকোনো দুর্ঘটনা মোকাবিলায় বড় অনুষ্ঠানস্থলগুলোতে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে। বিশেষ করে রমনা লেকে নিরাপত্তার জন্য ডুবুরি দল মোতায়েন রাখা হবে।
এসআর