বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট চললেও বাংলাদেশে পরিবহন, শিক্ষা ও শিল্প-কারখানা সচল রয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক
বক্তব্যে তিনি দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি ও সরকারের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।
মন্ত্রী জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় ডিজেলের মজুত ছিল ২ লাখ ৬ হাজার টন, যা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার টন। গত ৪১ দিনে দেশে প্রায় ৪.৮২ লাখ টন ডিজেল বিক্রি হওয়ার পরেও এই মজুত বৃদ্ধি সরকারের সুদৃঢ় আমদানিনীতির প্রমাণ।
পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন:
দেশে মোট ব্যবহৃত জ্বালানির মাত্র ৬.৭৭% হলো অকটেন।
এপ্রিল মাসে ৫০ হাজার টন অকটেন আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং দেশীয় উৎস থেকে আসবে আরও ৩ হাজার টন।
মাসিক চাহিদা ৩৫ হাজার টন হলেও বর্তমানে যে মজুত আছে, তাতে আগামী দুই মাসের চাহিদা মেটানো সম্ভব।
মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও আন্তর্জাতিক উত্তজনা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, অনেক প্রতিবেশী দেশে জ্বালানির দাম ২৫ শতাংশের বেশি বাড়লেও বাংলাদেশে কৃষি ও সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
জ্বালানি মন্ত্রী সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি ক্রয় থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে অতিরিক্ত ক্রয়ের প্রবণতা তৈরি হওয়ায় কিছু জায়গায় সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অপচয় রোধে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এসআর
মন্তব্য করুন: