আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় শুভেচ্ছা বিনিময়ের আয়োজন রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
একইসঙ্গে ঈদের পর সেখানে প্রধানমন্ত্রীর বসবাস শুরু করার প্রস্তুতিও চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, যমুনাকে প্রধানমন্ত্রীর উপযোগী করতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না; বরং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সীমিত সংস্কার কাজই চলছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রং করা এবং কিছু কাঠামোগত ছোটখাটো মেরামতের কাজ বর্তমানে এগিয়ে চলছে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সময়কালে নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা ও আগারগাঁওয়ে বাসভবনের বিকল্প খোঁজা হয়েছিল। তবে সময়স্বল্পতার কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। ফলে আপাতত যমুনাকেই সরকারপ্রধানের সরকারি বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
অতীতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে গণভবন ব্যবহৃত হলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সেটিকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তর করা হয়েছে। ফলে সেখানে আর বসবাসের সুযোগ নেই।
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশান থেকে প্রতিদিন সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাতায়াত করছেন, যা সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠছে। যমুনার অবস্থান তুলনামূলক কাছাকাছি হওয়ায় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় এটি সুবিধাজনক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
৩০ হেয়ার রোডে অবস্থিত যমুনা কমপ্লেক্সের আয়তন প্রায় ৮ একর, যার একটি অংশে মূল ভবন ও অফিস সুবিধা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাজ দ্রুত শেষ করা হবে এবং দুই সপ্তাহের মধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব।
এরই মধ্যে যমুনায় সরকারপ্রধান দুই দফায় ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, যেখানে দেশি-বিদেশি বহু অতিথির উপস্থিতি ছিল।
এসআর
মন্তব্য করুন: