পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
তবে সড়কে বড় ধরনের যানজট না থাকলেও গণপরিবহনের ঘাটতির কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ।
বাধ্য হয়ে অনেকেই খোলা ট্রাক ও পিকআপে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করে।
গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৩৫ হাজারের বেশি যানবাহন চলাচল করেছে। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৮৪ লাখ টাকার বেশি।
মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট—নগরজালফৈ বাইপাস, রাবনা বাইপাস ও এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষা। আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই বাস পাচ্ছেন না। তীব্র গরম ও ধুলাবালিতে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
পাবনাগামী এক যাত্রী জানান, পরিবার নিয়ে বাড়ি ফিরতে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত যানবাহন মিলছে না। অন্যদিকে সিরাজগঞ্জগামী এক নারী অভিযোগ করেন, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ভাড়া কয়েকগুণ বেশি নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বাসে অতিরিক্ত যাত্রী চাপের কারণে অনেক ক্ষেত্রে দাঁড়ানোর জায়গাও নেই। ফলে বিকল্প হিসেবে অনেকে ট্রাক ও পিকআপে যাত্রা করছেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সেতুর দুই প্রান্তে বাড়তি টোল বুথ চালু রাখা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কোথাও যানজট না থাকলেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা।
এসআর
মন্তব্য করুন: