[email protected] শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
২৩ ফাল্গুন ১৪৩২

জ্বালানি সরবরাহে শৃঙ্খলা আনতে তেল নেওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করল বিপিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৬ মার্চ ২০২৬ ৭:১৬ পিএম

সংগৃহীত ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে।

অনেক স্থানে ফিলিং স্টেশনে বেশি পরিমাণ তেল নেওয়ার প্রবণতা দেখা দেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।


শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ কত লিটার তেল নেওয়া যাবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।


নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লিটার। এসইউভি, জিপ বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি নেওয়া যাবে।


এছাড়া পিকআপ ও স্থানীয় বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত তেল নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


বিপিসি জানিয়েছে, দেশে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে কখনো কখনো আমদানি প্রক্রিয়ায় বিলম্ব বা সাময়িক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যেই বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি মজুত নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেক গ্রাহক প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।


এ কারণে কিছু ডিলারও অতিরিক্ত তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন বলে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে। এমনকি কোথাও কোথাও প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টার খবরও পাওয়া গেছে।


বিপিসি জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের উদ্বেগ কমাতে নিয়মিতভাবে বিদেশ থেকে জ্বালানি তেলের চালান দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন ডিপোতে রেলওয়ে ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে তেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
সংস্থাটি আশা প্রকাশ করেছে, খুব শিগগিরই দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ বাফার স্টক গড়ে উঠবে এবং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর