জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছরে ২০ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও রয়েছেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
শিগগিরই আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মনোনীতদের হাতে স্বাধীনতা পদক তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ রাষ্ট্রগঠনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। তাকে মরণোত্তরভাবে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হবে।
এছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আরও ১৪ জন ব্যক্তি স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর) পুরস্কার পাচ্ছেন।
ক্রীড়া ক্ষেত্রে জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবা ও জনকল্যাণে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর) মনোনীত হয়েছেন।
জনপ্রশাসনে অবদানের জন্য কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর) এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এ সম্মাননা পাচ্ছেন। পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং সমাজসেবা ও জনকল্যাণে এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: