আসন্ন জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতের ঘাটতি মোকাবিলা ও মানোন্নয়নের লক্ষ্যে আলাদা ‘শিক্ষা কর’ প্রবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছেন রাশেদা কে চৌধুরী।
তিনি একই সঙ্গে কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (সিএসআর) তহবিলের অন্তত ৩০ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয়ের সুপারিশ করেন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাব-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে গণসাক্ষরতা অভিযান। আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে শিক্ষা খাতের প্রত্যাশা ও করণীয় তুলে ধরতেই এ আয়োজন করা হয়।
রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতে ‘এডুকেশন সারচার্জ’ চালুর মাধ্যমে একটি বড় শিক্ষা সহায়তা তহবিল গড়ে তোলা হয়েছে, যা শিক্ষা বাজেটের ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশও পরীক্ষামূলকভাবে এ ধরনের উদ্যোগ নিতে পারে বলে তিনি মত দেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগের বিকল্প নেই। কেবল বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না; বরাদ্দের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অপচয় ও দুর্নীতি রোধে কঠোর নজরদারি এবং সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। জনঅংশগ্রহণভিত্তিক কৌশল গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করে তিনি বলেন, একটি মানবিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, শিক্ষা কোনো রাজনৈতিক হাতিয়ার হতে পারে না; শিক্ষাঙ্গন হওয়া উচিত মানবসম্পদ বিকাশের প্রধান কেন্দ্র।সংবাদ সম্মেলনে গণসাক্ষরতা অভিযানের পক্ষ থেকে শিক্ষা খাতের সংস্কার ও মানোন্নয়নে মোট ১২ দফা প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়।
এসআর
মন্তব্য করুন: