ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানকে ইরানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে—এমন খবর ঘিরে আলোচনা চলছে।
তবে এ বিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গণমাধ্যমকে ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, রাষ্ট্রদূত নিয়োগ প্রসঙ্গে সর্বশেষ যে আলোচনা হয়েছিল, তা গত বছরের ডিসেম্বরের আগে। তখন ডেনমার্ক, ইরান, সেনেগালসহ কয়েকটি দেশে সম্ভাব্য নিয়োগ নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের কথা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে নতুন করে কোনো আলোচনা হয়নি।
গত বছরের নভেম্বরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর আসে, তাকে ডেনমার্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিতে কোপেনহেগেনের সম্মতি চেয়ে সরকার আনুষ্ঠানিক চিঠি (এগ্রিমো) পাঠিয়েছে। সে সময় জানানো হয়েছিল, প্রয়োজনীয় অনুমোদন মিললে কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি দায়িত্ব নিতে পারেন।
তবে সাম্প্রতিক খবরে বলা হচ্ছে, ইরানে রাষ্ট্রদূত হিসেবে তাকে নিয়োগের প্রস্তাবে তেহরান নীতিগত সম্মতি দিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি।
ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, উপাচার্যের দায়িত্বে থাকার কারণে তিনি ডেনমার্কের প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। সে সময় যেসব দেশে শূন্য পদ ছিল, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছিল মাত্র।
এদিকে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি নির্বাচনের পর উপাচার্যের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর কিছুটা বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হলে সরকারের অনুরোধে কিছু সময় দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
তিনি আরও জানান, দ্রুত ডেপুটেশন প্রত্যাহার করে উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে মূল শিক্ষকতার দায়িত্বে ফিরে যাওয়ার অনুমতি চাইবেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: