ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা অনলাইনে চলতে পারবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
সানাউল্লাহ জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ২৯৯ আসনে ভোট হবে, যেখানে একটি আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে। ভোট কেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে থাকা ভোটারদেরও ভোট গ্রহণ করা হবে। মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন, এর মধ্যে ৮১ জন নারী। দেশের ৪২ হাজার ৬৫৯ কেন্দ্রের প্রায় অর্ধেক সাধারণ, বাকি অর্ধেক ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মোট ভোটারসংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি।
তিনি আরও জানান, পোস্টাল ভোটের সংখ্যা আজ সকাল পর্যন্ত ৭ লাখ ৩০ হাজার পৌঁছেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ৯ লাখ ৫৮ হাজার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ২ হাজার ১০০ জন, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ৯৫৭ জন। ভোট পর্যবেক্ষণে ড্রোন এবং বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এছাড়া, ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে। পোলিং অফিসারদের সংখ্যা ৫ লক্ষাধিক। ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী বৃহস্পতিবার থেকে বিতরণ শুরু হবে।
ভোটের দিন কমিশন চারবার ব্রিফিং করবে। ভোটাররা গোপন কক্ষে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না। সংসদীয় আসন ও গণভোটের ফল একসঙ্গে গণনা হবে এবং বেশিরভাগ ফল রাতেই পাওয়া যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে শতাধিক প্রতীক থাকায় ফলাফলে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
এছাড়া, কালো টাকার ছড়াছড়ি রোধে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে সতর্ক নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে।
তিনি নিশ্চিত করেন, অনলাইনে প্রচারণা করলেও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে না।
নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: