[email protected] মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২৭ মাঘ ১৪৩২

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এলে দেশ বদলাবে, অপশাসনের সুযোগ থাকবে না: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৮:৫৭ পিএম

সংগৃহীত ছবি

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে এবং অপশাসনের পুনরাবৃত্তি আর সম্ভব হবে না।

তার মতে, সামনে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন ও গণভোট দেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় একটি নজিরবিহীন রূপান্তর ঘটাবে।
সোমবার সকালে সচিবদের সঙ্গে আয়োজিত একটি গেট টুগেদার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য গণমাধ্যমে তুলে ধরেন তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।


প্রেস সচিব জানান, অনুষ্ঠানে সিনিয়র সচিব ও সচিবসহ প্রায় ৭০ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে প্রধান উপদেষ্টা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন এবং পরে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে ছবি তোলেন।


নির্বাচন প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, অতীতে দেশে যেসব নির্বাচন হয়েছে, সেগুলো প্রকৃত অর্থে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি। তবে এবার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। নির্বাচনের সময় খুব কাছাকাছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ এখন প্রায় নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে।


প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এই নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিরা সরাসরি ভোট ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এর ফলে ভবিষ্যতে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।


তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের সহায়তার জন্য বিশেষ অ্যাপ চালু করা হয়েছে এবং প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণে আলাদা প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ‘নির্বাচন বন্ধু হটলাইন-৩৩৩’ চালু করা হয়েছে, প্রায় ২৫ হাজার ৭০০টি বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহারের পাশাপাশি সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষকের আগমন প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক আস্থা বাড়ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগের ফলে এবারের নির্বাচন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হবে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর