[email protected] মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২৭ মাঘ ১৪৩২

জাপানের সঙ্গে ইপিএ চুক্তি বাংলাদেশের জন্য নতুন দিগন্ত খুলবে: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৬:৪৭ পিএম

সংগৃহীত ছবি

জাপানের সঙ্গে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ)কে দেশের জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে যুগান্তকারী প্রভাব ফেলবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক বিশেষ বৈঠকে এই মন্তব্য করা হয়।


বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান। তিনি বলেন, ৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত ইপিএ চুক্তির মাধ্যমে জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়েছে, যা দেশের রপ্তানি খাতের জন্য একটি বড় অর্জন।


শফিকুল আলম জানান, এই চুক্তির আওতায় জাপানের বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার ৪০০ ধরনের পণ্য শুল্ক ছাড়াই প্রবেশ করতে পারবে। ফলে দেশে শিল্প স্থাপন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


তিনি আরও বলেন, জাপানের সঙ্গে এই ইপিএ ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য বা অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির জন্য একটি আদর্শ কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি করতে এটি সহায়ক হবে।


বিশ্ব বাণিজ্যে সুরক্ষাবাদের প্রবণতা বাড়ছে উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, অনেক দেশ এখন বাণিজ্যিক বাধা সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে ইপিএর মতো প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড চুক্তি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই চুক্তি নতুন বাজারে প্রবেশ সহজ করবে, শুল্কমুক্ত বা স্বল্প শুল্কে রপ্তানির সুযোগ বাড়াবে এবং এর মাধ্যমে দেশে কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর