আসন্ন গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয়কে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একযোগে গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণ আইনত দণ্ডনীয় বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়, সরকারি চাকরিজীবীরা গণভোটে কোনো পক্ষের হয়ে প্রচারে যুক্ত হতে পারবেন না।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ গণমাধ্যমকে জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা সব স্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে এবং তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে অনেকেই জেনেছেন, তবে এখন অফিসিয়ালি নির্দেশনা দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক জানান, আগে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ না থাকায় কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়ায় এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষেই প্রচারণায় অংশ নেবেন না।
এসআর
মন্তব্য করুন: