আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রিটার্নিং
কর্মকর্তাদের দেওয়া মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ ৫ জানুয়ারি থেকে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল দায়ের করা যাচ্ছে। এই আপিল কার্যক্রম চলবে আগামী ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মনোনয়নপত্র সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী, কিংবা কোনো ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি সেবাদানকারী সংস্থা অথবা প্রার্থীর লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
আপিল গ্রহণের জন্য রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে কেন্দ্রীয়ভাবে ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। অঞ্চলভিত্তিকভাবে এসব বুথে আপিল আবেদন জমা দিতে হবে।
খুলনা অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত ১ নম্বর বুথে মেহেরপুর থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত ১০টি জেলার আপিল গ্রহণ করা হবে। রাজশাহী অঞ্চলের জয়পুরহাটসহ আটটি জেলার জন্য রয়েছে ২ নম্বর বুথ। রংপুর অঞ্চলের আটটি জেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ৩ নম্বর বুথে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলার আপিল জমা পড়বে ৪ নম্বর বুথে। কুমিল্লা অঞ্চলের ছয়টি জেলার জন্য নির্ধারিত ৫ নম্বর বুথ।
এ ছাড়া সিলেট অঞ্চলের চার জেলার আপিল গ্রহণ করা হবে ৬ নম্বর বুথে, ঢাকা অঞ্চলের আটটি জেলার জন্য রয়েছে ৭ নম্বর বুথ, ময়মনসিংহ অঞ্চলের চার জেলার জন্য ৮ নম্বর বুথ এবং বরিশাল অঞ্চলের ছয় জেলার জন্য ৯ নম্বর বুথ। ফরিদপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলার মনোনয়ন সংক্রান্ত আপিল জমা দিতে হবে ১০ নম্বর বুথে।
ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে সারা দেশের বৈধ ও বাতিল মনোনয়নের চূড়ান্ত সংখ্যা প্রকাশ করা হবে।
আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরমে কমিশন সচিবালয়ের সচিব বরাবর আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে মনোনয়ন গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ এবং সংশ্লিষ্ট আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে। একটি মূল কপিসহ মোট সাতটি কপি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
আপিল সংক্রান্ত সব আবেদন ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে নির্ধারিত বুথে দাখিল করতে হবে। আপিলের রায়ের কপি পেতে আলাদা ফরমে আবেদন করতে হবে, যা কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দাখিলকৃত সব আপিল আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে। একই সঙ্গে সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: