ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রাথমিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যেসব প্রার্থী আপিল করতে চান, তাদের জন্য সাতটি নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ বাধ্যতামূলক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শনিবার এসব নির্দেশনা প্রার্থীদের অবহিত করার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে—আপিল আবেদন অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে সম্বোধন করে নির্ধারিত ফরমে স্মারকলিপি আকারে দাখিল করতে হবে।
আবেদনের সঙ্গে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত লিখিত বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে।
আপিল আবেদনের একটি মূল কপিসহ মোট সাতটি কপি জমা দিতে হবে।
আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত আপিল গ্রহণ কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক বুথে দাখিল করতে হবে। আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আপিল জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া আপিল কর্তৃপক্ষের রায়ের কপি পেতে হলে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। এ ফরম নির্বাচন ভবনে স্থাপিত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
রায়ের কপি আপিলকারী নিজে অথবা তার মনোনীত প্রতিনিধি সংগ্রহ করতে পারবেন।
চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে, আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আপিল গ্রহণের জন্য মোট ১০টি বুথ স্থাপন করা হবে।
প্রতিটি বুথ নির্দিষ্ট কয়েকটি জেলার জন্য বরাদ্দ থাকবে। খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের প্রার্থীরা নিজ নিজ অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে আপিল আবেদন জমা দিতে পারবেন।
উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএনপি, জাতীয় পার্টি (জাপা), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামীসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল মোট ২ হাজার ৯১টি মনোনয়নপত্র জমা দেয়।
বাছাই শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকি ও খেলাফত মজলিসের মামুনুল হকসহ একাধিক শীর্ষ নেতার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে অনেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলও হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: