[email protected] শনিবার, ৩ জানুয়ারি ২০২৬
২০ পৌষ ১৪৩২

কুয়াশা ও তীব্র শীতে সতর্কতা

জানুয়ারিতে তীব্র একাধিক শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩ জানুয়ারি ২০২৬ ২:৪৯ এএম

সংগৃহীত ছবি

জানুয়ারি মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসে দেশের কিছু এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। ফলে শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানান, চলতি জানুয়ারিতে সারাদেশে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার হতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৮ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করবে।

 

পাশাপাশি এক থেকে দুইটি শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি থেকে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, সে ক্ষেত্রে তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।


পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টির কোনো আশঙ্কা নেই। দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকবে।

এ সময় দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ১ দশমিক ৫ থেকে ৩ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল ৩ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।

 

আবহাওয়া অফিস সাধারণ মানুষকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে জানুয়ারি মাসজুড়ে শীত তুলনামূলক বেশি অনুভূত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।


এদিকে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।

 

কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, নৌপথ এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে চলমান মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব নতুন নতুন এলাকায় বিস্তার লাভ করতে পারে।


প্রথম দিনের পূর্বাভাসে জানানো হয়, সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক এলাকায় ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, পঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধীরে ধীরে কিছু এলাকায় প্রশমিত হতে পারে।

এ সময় রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


পরবর্তী কয়েক দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে নদী অববাহিকায় কুয়াশার প্রবণতা বেশি থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর