অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক
(আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার (৮ মার্চ) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন। আদালত আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে তাকে গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।
আয়ের উৎস ও অসংগতি: তদন্তে দেখা গেছে, বেনজীর আহমেদের মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে। তবে তার বৈধ আয়ের নিট সঞ্চয় ছিল মাত্র ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা।
অবৈধ সম্পদের পরিমাণ: বৈধ আয়ের বাইরে তিনি ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ: তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি এই অবৈধ অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর এবং রূপান্তরের মাধ্যমে এর প্রকৃত উৎস গোপন করার চেষ্টা করেছেন।
মামলার প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষিয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: