রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল পদে কে আসবেন তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে তীব্র আলোচনা চলছে।
এর আগে সোমবার, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল হতে পারেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল, যা আইনজীবীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
একজন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী মানুষ হিসেবে সুপরিচিত এবং দায়িত্বশীল। তবে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে আরও অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন আইনজীবী রয়েছেন, যাদের দিক থেকে নিয়োগ বিবেচনা হতে পারে।
একজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অতীত অ্যাটর্নি জেনারেলের অভিজ্ঞতা লক্ষ্য করা জরুরি। তিনি প্রয়াত মাহমুদুল ইসলাম, ব্যারিস্টার রফিক উল হক, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফ, এজে মোহাম্মদ আলী এবং মাহবুবে আলমের নাম উল্লেখ করেন। এই বিশিষ্ট আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আইন পেশা ও আইন চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, সর্বশেষ অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। দায়িত্ব পালনের সময় তার আইনি লড়াই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে সরকারের আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বর্তমান সরকার রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা পদে যোগ্য ও অভিজ্ঞ কাউকে নিয়োগ দেবেন বলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। তবে কয়েকজন সিনিয়র এডভোকেট ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতারা সোমবার এ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা সতর্ক করেছেন, অনাকাঙ্ক্ষিত নিয়োগ ফোরামের দীর্ঘ লড়াই ও ত্যাগকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে এবং আসন্ন সমিতি নির্বাচন ও কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
আইনজীবীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন। অনেকেই সাবেক সম্পাদক ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র এডভোকেট ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। তাদের পোস্টে ব্যারিস্টার কাজলের পূর্বের সংগ্রাম ও ত্যাগ তুলে ধরা হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: