আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে এ তথ্য জানান।
আইজিপি বলেন, ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা, ভ্রাম্যমাণ টহল দল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স—এই তিন ধাপে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এ কাজে সারাদেশে মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি জানান, দেশজুড়ে প্রায় ৮ হাজার ৭৭০টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও আনসার সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন।
আরও জানান, সারা দেশে মোট ২৪ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে।
এসব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ও পুলিশের বডি ক্যামেরার মাধ্যমে বাড়তি নজরদারি রাখা হবে। কোথাও সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রয়োজনে ওই কেন্দ্র বা সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে লুট হওয়া অস্ত্র প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, পুলিশের নথিভুক্ত তালিকা অনুযায়ী এক হাজার ৩৩০টি অস্ত্রসহ ব্যক্তি পর্যায়ে লুণ্ঠিত আরও বহু অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তবে কোনো বিষয়ই উপেক্ষা করা হচ্ছে না, সব দিক বিবেচনায় নিয়েই নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
এসআর
মন্তব্য করুন: