[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

প্লট দুর্নীতি : শেখ হাসিনা-ববি-টিউলিপের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১:১৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ভাগিনা রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, ভাগনি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি এই মামলার রায় দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪–এর বিচারক রবিউল আলম যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি জানান, এদিন মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি সাবেক রাজউক কর্মকর্তা খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়।

তার পক্ষে আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম যুক্তিতর্ক তুলে ধরে বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে এবং তিনি খুরশীদের খালাস দাবি করেন।

অপরদিকে দুদকের আইনজীবী হাফিজুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেন।


আদালতে যুক্তিতর্ক শেষ হলে বিচারক আগামী ২ ফেব্রুয়ারিকে রায় ঘোষণার তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করেন। অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে কোনো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়নি।

এই মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাহউদ্দিন, সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, সাবেক সদস্য নাসির উদ্দীন, সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরীসহ আরও কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা।


এর আগে একই আদালত শেখ হাসিনা ও তার ভাগনি আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীর বিরুদ্ধে পৃথক একটি প্লট দুর্নীতি মামলার রায়ের দিনও ২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেন।


দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষমতায় থাকাকালে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরে অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও ১০ কাঠা করে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেন।

এ সংক্রান্ত অভিযোগে দুদক শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলা দায়ের করে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলার রায়ে ইতোমধ্যে সাজা ঘোষণা হয়েছে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর