[email protected] মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬
৬ মাঘ ১৪৩২

ব্যালট পেপার পরিবহণে কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা ইসির

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:২৫ পিএম

সংগৃহীত ছবি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষ্যে ব্যালট পেপারসহ সব ধরনের নির্বাচনি সামগ্রী পরিবহণ ও বিতরণ প্রক্রিয়ায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, রাজধানী ঢাকা থেকে জেলা, জেলা থেকে উপজেলা এবং উপজেলা পর্যায় থেকে ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নির্বাচনি উপকরণ পরিবহণে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা অনুযায়ী ব্যালট পেপার ছাপানো হবে।

ইতোমধ্যে ডাকযোগে ভোট প্রদানের জন্য নিবন্ধিত ভোটারদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যালট ও পোস্টাল সামগ্রী প্রস্তুত ও বিতরণ করা হয়েছে। সাধারণ ব্যালট পেপার ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় অবস্থিত সরকারি ছাপাখানাগুলো—বিজি প্রেস, গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেস ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে মুদ্রণ করা হবে।


ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি নির্বাচনি এলাকার পক্ষে রিটার্নিং অফিসার একজন করে সিনিয়র সহকারী কমিশনার বা সহকারী কমিশনারকে ব্যালট গ্রহণের দায়িত্ব দেবেন।

পাশাপাশি জেলা নির্বাচন অফিসারের পক্ষে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা থাকবেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও লিখিত অনুমতিপত্র থাকতে হবে। ব্যালট গ্রহণের সময় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক (ফরম-৫) যাচাই করে মিলিয়ে দেখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।


এতে আরও বলা হয়, ভোটগ্রহণের আগের দিন সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রিজাইডিং অফিসাররা নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রের ব্যালট ও অন্যান্য নির্বাচনি সামগ্রী বুঝে নেবেন।

ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানোর পর প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মকর্তা কেন্দ্র ত্যাগ করতে পারবেন না। পুরো সময়জুড়ে নির্বাচনি কর্মকর্তা ও উপকরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।


পরিপত্রে স্থানীয়ভাবে সংগ্রহযোগ্য কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকাও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—বলপয়েন্ট কলম, সাদা ও কার্বন কাগজ, সুতা, ছুরি, মোমবাতি, দিয়াশলাই, গামপট, স্ট্যাম্প, প্যাডের কালি এবং নির্দেশনামূলক প্ল্যাকার্ড। এসব সামগ্রী ক্রয় বা মুদ্রণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।


এ ছাড়া নির্বাচনি কাজে ব্যবহৃত ফরম, প্যাকেট, পোস্টার, ম্যানুয়াল ও লিফলেট সরকারি ছাপাখানা থেকেই সংগ্রহ করতে হবে। স্ট্যাম্প প্যাড, অফিসিয়াল সিল, মার্কিং সিল, ব্রাস সিল, অমোচনীয় কালি ও হেসিয়ান ব্যাগ ইতোমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী চার্জার লাইট, ক্যালকুলেটর ও স্ট্যাপলার কেনার জন্য প্রিজাইডিং অফিসারদের নগদ অর্থ দেওয়া হবে।


সব নির্বাচনি সামগ্রী জেলায় পৌঁছানোর পর তা পরীক্ষা করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো ঘাটতি বা অসংগতি দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখাকে জানাতে বলা হয়েছে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর