[email protected] শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১

৯৫ বছরে এমন ভূমিকম্প হয়নি থাইল্যান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ মার্চ ২০২৫ ২:০৯ এএম

সংগৃহীত ছবি

থাইল্যান্ডে শুক্রবার (২৮ মার্চ) ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যা দেশটিতে গত ৯৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী বলে জানিয়েছে দেশটির খনিজ সম্পদ বিভাগ।

থাইল্যান্ডের খনিজ সম্পদ বিভাগের মহাপরিচালক পিচিত সোমবাতম্যাক জানিয়েছেন, ১৯৩০ সালের পর এটি সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প, যার মাত্রা রিখটার স্কেলে ৭.৪ থেকে ৭.৭ এর মধ্যে ছিল।

স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২০ মিনিটে কম্পনটি অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মান্দালয় এলাকার সাগাইং ফল্টে, সাগাইং শহর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।

ভূমিকম্পের ১২ মিনিট পর ৬.৪ মাত্রার একটি আফটারশক অনুভূত হয়। শক্তিশালী এই কম্পন থাইল্যান্ডের উত্তর, উত্তর-পূর্ব, পূর্ব এবং মধ্যাঞ্চলসহ ব্যাংককেও কেঁপে তোলে।

ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছে থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে, যার মধ্যে রয়েছে চিয়াং মাই, চিয়াং রাই, তাক, মে হং সন, লামফুন, লাম্পাং, ফিৎসানুলোক, খন কায়েন, নাখন রাতচাসিমা, উডন থানি, উবন রাতচাথানি, চোন বুরি, সোপান বুরি, কানচানাবুরি, নাখন সাওয়ান, রাতচাবুরি, লোপ বুরি, নাখন নায়োক এবং রাজধানী ব্যাংকক ও পার্শ্ববর্তী এলাকা।

ভবন ধসে নিখোঁজ ৭০ জন
ভূমিকম্পের ফলে ব্যাংককে একটি নির্মাণাধীন ৩০ তলা ভবন ধসে পড়েছে, যেখানে নিখোঁজ শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৭০ জনে দাঁড়িয়েছে। থাইল্যান্ডের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ইমার্জেন্সি মেডিসিন জানায়, আগে ৪৩ জন নিখোঁজ হওয়ার আশঙ্কা করা হলেও পরে সংখ্যাটি আরও বাড়তে থাকে।

ধসের সময় ভবনটিতে প্রায় ৩২০ জন শ্রমিক ছিলেন, যাদের মধ্যে প্রায় ২০ জন লিফটে আটকা পড়েন। ধ্বংসস্তূপের নিচে কতজন প্রাণ হারিয়েছেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে একটি অস্থায়ী হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে।

থাই কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং যেকোনো পরবর্তী ভূমিকম্প বা আফটারশকের বিষয়ে সরকারি গণমাধ্যমের খবর পর্যবেক্ষণ করার আহ্বান জানিয়েছে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর