শুক্রবার (২৮ মার্চ) চীন, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যার কেন্দ্রস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং শহরের কাছে।
ভূমিকম্পের প্রভাব থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককেও ব্যাপকভাবে অনুভূত হয়। শহরের উত্তরাঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি ৩০তলা ভবন ধসে পড়ে, যেখানে ৪৩ জন শ্রমিক আটকা পড়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো। ভূমিকম্পের পরপরই থাই সরকার জরুরি অবস্থা জারি করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পাতোংতার্ন সিনাওয়াত্রা।
ক্ষয়ক্ষতির চিত্র
ব্যাংকক থেকে বিবিসির সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের সময় শহরের বেশ কয়েকটি ভবন কেঁপে ওঠে এবং জানালার কাচ ভেঙে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত মানুষজন বিভিন্ন ভবন থেকে বেরিয়ে রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন।
অন্যদিকে, মিয়ানমারে ভূমিকম্পের প্রভাবে বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি ভবনের ছাদ থেকে আস্তরণ খসে পড়েছে বলে জানিয়েছেন বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদক।
থাইল্যান্ড কেন ঝুঁকিপূর্ণ?
থাইল্যান্ড সাধারণত বড় ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নয়, তবে প্রতিবেশী মিয়ানমারের সাগাইং ফল্ট লাইনের কারণে দেশটিতে কম্পন অনুভূত হয়। ব্যাংককের বেশিরভাগ ভবন শক্তিশালী ভূমিকম্প সহ্য করার মতো নির্মিত নয়, ফলে ভূমিকম্পে অকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি বেশি।
উদ্ধার অভিযান চলছে
ব্যাংককের ধসে পড়া ভবন থেকে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে জরুরি উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। থাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: