[email protected] শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১

ইসরাইলে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আঘাত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২৫ ৯:০৭ পিএম

ফাইল ছবি

ইসরাইলের অধিকৃত ভূখণ্ডে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলার উদ্যোগ নিয়েছে।

এ হামলার ফলে তেলআবিবসহ বিভিন্ন শহরে সাইরেন বেজে ওঠে এবং বেনগুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।

রোববার, ইরানী বার্তা সংস্থা ইরনা ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাত এ তথ্য প্রকাশ করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলি সামরিক বাহিনী প্রতিহত করলেও, বিমানবন্দরে আঘাতের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়।

ইসরাইলের অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, এই হামলার প্রভাবে অধিকৃত আল-কুদসসহ ২০টিরও বেশি শহর ও বসতিতে সাইরেনের আওয়াজ শোনা গেছে।

ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, তাদের বাহিনী ইসরাইলের তেলআবিবে অবস্থিত বেনগুরিয়ন বিমানবন্দর এবং একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘প্যালেস্টাইন-২’ নামে সুপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছে।

 

ইয়েমেনের আল-মাসিরাহ টিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই হামলার ফলে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়। পাশাপাশি, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘হ্যারি ট্রুম্যান’ ও লোহিত সাগরে অবস্থিত অন্যান্য শত্রু নৌযানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। হামলাটি একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলতে দেখা যায়।

অধিকৃত অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার ফলে তেলআবিব ও অন্যান্য শহরে সাইরেনের আওয়াজ শোনা গেছে। আল-জাজিরা জানিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের বেশ কিছু শহর ও বসতিতে বিশেষ করে তেলআবিব, আল-কুদস ও উত্তরের কিছু এলাকায় আতঙ্কের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণার পাশাপাশি ইয়েমেনও জানিয়েছে, গাজার যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা ফিলিস্তিনের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাবে। গত ১৮ মার্চ গাজায় ইসরাইলের নতুন হামলার প্রেক্ষিতে এই সামরিক অভিযানের সূচনা হয়েছে।

অন্যদিকে, ইয়েমেনের অভিযোগ অনুযায়ী, মার্কিন বিমান হামলার অব্যাহত থাকার পেছনে ইসরাইলকে সমর্থন করার মার্কিন প্রচেষ্টা রয়েছে।

সূত্র: ইরনা ও মেহের নিউজ

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর