[email protected] সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
২৯ চৈত্র ১৪৩২

ইসলামাবাদ বৈঠক: যে ৫টি অমীমাংসিত ইস্যুতে সরগরম ছিল ইরান-মার্কিন আলোচনা

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ৯:২১ এএম

টানা ২১ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস আলোচনা শেষে ইসলামাবাদ ছাড়ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল। এরই মধ্যে আলোচনার বিস্তারিত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (X) বিবৃতি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল

 বাঘাই। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ এখন সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।

​বাঘাই তার বিবৃতিতে জানান, শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই বিরতিহীন আলোচনায় দুই পক্ষের মধ্যে অসংখ্য বার্তা ও দলিল আদান-প্রদান হয়েছে। আলোচনার প্রধান বিষয়গুলো ছিল:

​১. হরমুজ প্রণালি: এই কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা।

২. পারমাণবিক ইস্যু: ইরানের পরমাণু প্রকল্পের ভবিষ্যৎ ও সীমাবদ্ধতা।

৩. যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ: সাম্প্রতিক সংঘাতের ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির দাবি।

৪. নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেওয়া।

৫. যুদ্ধ সমাপ্তি: ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের স্থায়ী অবসান।

​ইরানের মুখপাত্র দিনটিকে তাদের প্রতিনিধি দলের জন্য "ব্যস্ত ও দীর্ঘ" বলে অভিহিত করেন। আলোচনার সাফল্য প্রসঙ্গে তিনি বেশ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তার মতে:

​আন্তরিকতার প্রয়োজনীয়তা: কূটনৈতিক এই উদ্যোগ তখনই সফল হবে যখন বিপরীত পক্ষ (যুক্তরাষ্ট্র) সত্যিকারের আন্তরিকতা দেখাবে।

​অযৌক্তিক দাবি বর্জন: বাঘাই স্পষ্ট করে বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই "অতিরিক্ত দাবি ও অবৈধ অনুরোধ" থেকে বিরত থাকতে হবে।

​ন্যায্য অধিকার: ইরানের ন্যায্য স্বার্থ ও অধিকার মেনে নেওয়া ছাড়া কোনো স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

​বিবৃতি শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার আয়োজন ও মধ্যস্থতা করার জন্য তিনি পাকিস্তানকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। দুই দেশের এই অনড় অবস্থানের পর আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর