মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা বিরাজ করছে। গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুড
তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৯.১৩ ডলারে উঠে গেলেও শুক্রবার তা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তেলের দাম প্রায় ১০৯.৭৫ ডলারে নেমে এসেছে, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা স্বস্তিদায়ক হলেও এখনো ১০০ ডলারের উপরে অবস্থান করছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ 'হরমুজ প্রণালি' দিয়ে কয়েকটি দেশের জাহাজ চলাচলের পথ উন্মুক্ত হওয়া এবং তেহরানের প্রধান তেল ও গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলা না করার প্রতিশ্রুতির খবরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে এই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হওয়া সামরিক উত্তজনা এবং ইরানের তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। ইরান পাল্টা সতর্কবার্তায় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন সংশ্লিষ্ট তেল স্থাপনাগুলোতে হামলার হুমকি দেওয়ায় বাজার আরও অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে।
সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় তেলের দাম গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। বর্তমানে দাম কিছুটা কমলেও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির কারণে ব্যবসায়ীরা এখনো উচ্চমূল্যেই তেলের দর নির্ধারণ করছেন, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: