মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে নতুন কৌশল বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক বাজারে
তেলের সরবরাহ বাড়িয়ে দাম স্থিতিশীল রাখতে ইরানের ওপর আরোপিত জ্বালানি রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার একাংশ তুলে নেওয়ার আভাস দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা: মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন, সাগরে ভাসমান অবস্থায় থাকা ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে। এতে ভারত, জাপান ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো জ্বালানি সংকটে বাড়তি সুবিধা পাবে।
ভাসমান তেলের মজুদ: বর্তমানে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের প্রায় ১৪২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুদ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নীতির পরিবর্তন: বিবিসি মনে করছে, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে ইরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কঠোর অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
বাজার নিয়ন্ত্রণ: ইরানের তেল আমদানির ক্ষেত্রে চীন যেন বাজার মূল্যে লেনদেন করে, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে ওয়াশিংটন।
বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা: বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপে তেলের দাম কিছুটা কমলেও ইরান সেই অর্থ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিরোধী সামরিক কার্যক্রমে ব্যয় করার সুযোগ পাবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: