ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অব্যাহত চাপের মুখে নজিরবিহীন কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ কর্ম ও
পেনশন বিষয়ক মন্ত্রী প্যাট ম্যাকফ্যাডেন সরাসরি জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র অনুরোধ করলেই তাতে রাজি হতে যুক্তরাজ্য বাধ্য নয়। হরমুজ প্রণালি মুক্ত করতে জাহাজ সরবরাহের বিষয়ে ট্রাম্পের দেওয়া হুমকির প্রেক্ষিতে তিনি ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সিকে 'লেনদেনমুখী' বা হিসেবী হিসেবে আখ্যা দেন। ম্যাকফ্যাডেন আরও বলেন, দুই দেশের গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক থাকলেও প্রতিটি পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নেই।
মূলত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ না পাঠানো এবং ইরান যুদ্ধে সরাসরি অংশ না নেওয়ায় যুক্তরাজ্যের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এমনকি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে উইনস্টন চার্চিলের সঙ্গে তুলনা করে উপহাসও করেছেন তিনি।
তবে যুক্তরাজ্য সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই যুদ্ধে প্রধান কোনো পক্ষ হতে চায় না এবং আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতেই তাদের অবস্থান বজায় রাখবে। সরাসরি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বদলে ড্রোন পাঠিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার পরিকল্পনা করছে লন্ডন। এদিকে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে স্টারমার ও ট্রাম্পের মধ্যে ফোনালাপ হলেও নীতিগত অবস্থানে অটল রয়েছে ডাউনিং স্ট্রিট।
এসআর
মন্তব্য করুন: