ইরানের অর্থনীতির 'লাইফলাইন' হিসেবে পরিচিত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির তেলের অভয়ারণ্যখ্যাত এই দ্বীপটি বিশ্ব জ্বালানি
বাজারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ইরানের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশ এই দ্বীপের মাধ্যমেই বিশ্ববাজারে রপ্তানি হয়। গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান যে, হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী এই দ্বীপের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে শক্তিশালী বোমাবর্ষণ করা হয়েছে।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী এই অভিযান পরিচালনা করেছে এবং খারগ দ্বীপে থাকা সবকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট এবং জ্বালানি প্রবাহের কথা বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত দ্বীপটির মূল তেল অবকাঠামোগুলোতে সরাসরি আঘাত করা থেকে বিরত রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের প্রধান বন্দর এবং তেল-গ্যাস পরিবহনের প্রধান নৌপথ এই দ্বীপে অবস্থিত হওয়ায় এটি দেশটির অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড হিসেবে কাজ করে। ফলে এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: