ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের পর্যটন ও ভ্রমণ খাতে। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের (ডব্লিউটিটিসি) সাম্প্রতিক
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যুদ্ধের কারণে এই অঞ্চলের পর্যটন খাত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০ কোটি (৬০০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। মূলত আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আনাগোনা কমে যাওয়া এবং ভ্রমণ ব্যয় হ্রাস পাওয়ায় এই ধস নেমেছে।
ডব্লিউটিটিসি জানিয়েছে, আকাশপথে যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটায় এবং পর্যটকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হওয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চাহিদাও তলানিতে ঠেকেছে। উল্লেখ্য, বৈশ্বিক পর্যটনের ৫ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক ট্রানজিট ট্রাফিকের ১৪ শতাংশ এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে পরিচালিত হয়। বিশেষ করে দুবাই, দোহা, আবুধাবি ও বাহরাইনের মতো প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে গত দুই সপ্তাহ ধরে অচলাবস্থা বিরাজ করায় বিশ্বজুড়ে বিমান ভাড়ায় বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।
সংস্থাটির পূর্ববর্তী পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই খাত থেকে ২০ হাজার ৭০০ কোটি (২০৭ বিলিয়ন) ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, যা এখন অনিশ্চয়তার মুখে। তবে ডব্লিউটিটিসি-র প্রেসিডেন্ট গ্লোরিয়া গেভারা আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, এই খাত অত্যন্ত স্থিতিস্থাপক এবং সঠিক তথ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব।
এসআর
মন্তব্য করুন: