মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেলের খনি এবং মার্কিন বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে সৌদি আরবের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defense System) লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই সেগুলোকে আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
তেল খনিতে হামলা: সৌদি আরবের শায়েবাহ (Shaybah) তেলের খনি লক্ষ্য করে মোট ৬টি ড্রোন পাঠায় ইরান। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ড্রোনগুলো কোনো ক্ষতি করার আগেই ভূপাতিত করা হয়েছে।
মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র: সৌদিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেইস লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল, যা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।
প্রথমবারের মতো হামলা: এই প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের কোনো তেলের খনি লক্ষ্য করে সরাসরি ইরানের পক্ষ থেকে এমন ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেল।
এই হামলার মূলে রয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের পরমাণু চুক্তি নিয়ে বিরোধ:
সংলাপ ব্যর্থতা: গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ২১ দিন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চললেও কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই তা শেষ হয়।
সামরিক অভিযান: আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে 'অপারেশন এপিক ফিউরি' শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ইরানে 'অপারেশন রোয়ারিং লায়ন' নামে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।
ইরানের পাল্টা জবাব: এই অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তু এবং মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: