[email protected] বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
২০ ফাল্গুন ১৪৩২

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৪ মার্চ ২০২৬ ১১:০৭ এএম

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট অস্থিরতার জেরে বিশ্ববাজারে

 জ্বালানি তেলের দাম ব্যাহকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ১ ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

​প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১.১১ ডলার বা ১.৪ শতাংশ বেড়ে ৮২.৫৩ ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) অপরিশোধিত তেলের দাম ১.১ শতাংশ বেড়ে ৭৫.৩৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
​উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত
​তেলের দাম বাড়ার নেপথ্যে প্রধান কারণগুলো হলো:


​ইরানের অবকাঠামোতে ক্ষতি: মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


​ইরাকের উৎপাদন হ্রাস: মজুদের সীমাবদ্ধতা ও রপ্তানি রুট বন্ধ থাকায় ইরাকের দৈনিক তেল উৎপাদন প্রায় ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল কমেছে, যা দেশটির মোট উৎপাদনের অর্ধেক। রপ্তানি শুরু না হলে এটি ৩ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছাতে পারে।
​হরমুজ প্রণালি বন্ধ: ইরান হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালানোয় গত চার দিন ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ রুটটি কার্যত বন্ধ রয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।

​পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রয়োজনে নৌবাহিনীর মাধ্যমে তেল ট্যাংকারগুলোকে 'এসকর্ট' বা পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া সৌদি আরবের তেল কোম্পানি আরামকো হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগরের মাধ্যমে তেল রপ্তানির রুট পরিবর্তনের চেষ্টা করছে।


​এদিকে, ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজছে এবং আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে যুক্তরাষ্ট্রে গত সপ্তাহে তেলের মজুদ ৫.৬ মিলিয়ন ব্যারেল বৃদ্ধি পেয়েছে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর