ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ
ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং অন্তত ৪০ জন উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) ভোরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাগুলো এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রাণহানি ও গোয়েন্দা তথ্য যুক্তরাষ্ট্রে বিবিসির অংশীদার বিসিএস নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি বিশ্বস্ত গোয়েন্দা ও সামরিক সূত্র জানিয়েছে যে, হামলায় ইরানের প্রায় ৪০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। তবে এসব কর্মকর্তা একটি নির্দিষ্ট স্থানে নাকি আলাদা আলাদা হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
খামেনির প্রাসাদ ধ্বংস ও সপরিবারে মৃত্যু শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে তেহরানে খামেনির সরকারি বাসভবন লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় প্রাসাদটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানের তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এই হামলায় খামেনির সাথে তার মেয়ে, জামাতা এবং নাতিও নিহত হয়েছেন। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনেও এই শোকাবহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় শোক ও বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া এই অপূরণীয় ক্ষতিতে ইরান সরকার দেশটিতে সাত দিনের সরকারি ছুটি এবং ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চরম যুদ্ধ উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে "কাঙ্ক্ষিত বিচার" হিসেবে অভিহিত করেছেন।
নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এই হামলার পর ইরানের আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ওই অঞ্চলে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: